১) ০৬/১০/২৪ ইং , সাংবাদিক সম্মেলন, বিষয়- বাংলা
ভাষাকে ধ্রুপদী ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়।
২)
১৯/১০/২৪
ইং, সাংবাদিক সম্মেলন- বিষয়:- সুপ্রিম কোর্টের রায়
১৯৭১ সাল কে ভিত্তি বছর ধরে অসম চুক্তির ৬ 'এ' এর যে
স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
৩) ০৫/১০/২৪ ইং, ডেপুটেশন
কর্মসূচি, বিষয়:- সাত দফা দাবি নিয়ে ডেপুটেশন প্রদান
করে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা কমিটি।
৪) ০৮/১১/২৪ ইং ,
ডেপুটেশন কর্মসূচি , বিষয়:-পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা
শাসকের নিকট সাত দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়।
৫)
০৮/১১/২৪ ইং , উত্তর ত্রিপুরা জেলা সম্মেলন করা হয়,
পানিসাগরের বাজার সভা করা হয়।
৬) ১৪/১১/২৪ ইং,
সাংবাদিক সম্মেলন, বিষয়:- ত্রিপুরার বিধানসভায়
তিপ্রা মথার দাবি সংরক্ষণ জনিত আসন বৃদ্ধির
প্রতিবাদ করা হয়।
৭) ২৯/১১/২৪ ইং, বিক্ষোভ
কর্মসূচি,
বিষয়:- বাংলাদেশে সংখ্যালঘু দের উপর নির্যাতনের
বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হয়।
৮) ১৭/০১/২৫ ইং, আমরা
বাঙালীর আন্দোলনের প্রথম দধীচি শ্রী নিতাই শীলের প্রতি
শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়, বিক্ষোভ প্রদর্শন,
বিষয়:- নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্য
বৃদ্ধির প্রতিবাদ করা হয়।
৯) /০৩/০২/২৫ ইং,
ভারতের
কেন্দ্রীয় বাজেটের কিছু কিছু জনস্বার্থ বিরোধী বিষয়
নিয়ে প্রতিবাদ করা হয়।
১০) ২৮/০২/২৫ ইং, বিক্ষোড
প্রদর্শন , বিষয়:- আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড
ট্রাম্পের অমানবিক কর্মকান্ড তথা ভারতীয়দের
অমানবিকভাবে ফেরত পাঠানোর বিরোধিতা করা হয়।
১১)
১৬/০২/২৫ ইং, খোয়াই জেলা সম্মেলন করা হয়। বাঙালী
নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র
লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রেলী ও পথসভা
অনুষ্ঠিত করা হয়।
১২) ২১/০২/২৫ ইং, পশ্চিম
ত্রিপুরা
জেলা সম্মেলন করা হয়, একুশে ফেব্রুয়ারী মাতৃভাষা
দিবস পালন করা হয়।
১৩) ২২/০২/২৫ ইং, সাংবাদিক
সম্মেলন, বিষয়:- তেলিয়ামুড়া বাজারে বাংলা ভাষা
মর্যাদা রক্ষা দিবস উপলক্ষে পথসভা করা হয়।
১৪)
২৬/০২/২৫ ইং, সাংবাদিক সম্মেলন, বিষয়:- প্রাক্তন
বৈরীদের দ্বারা ত্রিপুরার বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধের
বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হয়।
১৫) ২৩/০৩/২৫ ইং,
সাংবাদিক
সম্মেলন, বিষয়:- টি এস এফ এর পক্ষ থেকে ত্রিপুরা
রাজ্যের সড়ক অবরোধ নিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়ে
সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়।
১৬) ০১/০৪/২৫ ইং,
ত্রিপুরায় আত্মসমর্পণকারী বইদের লোন এডিসি এরিয়াতে
পুনরাবাসনের তীব্র বিরোধিতা করা হয়। **সিপাহীজলা জেলা
সম্মেলন করা হয়।
১৭) ০৬/০৪/২৫ ইং, দক্ষিণ
ত্রিপুরা
জেলা সম্মেলন করা হয়। ** বাঙালী নির্যাতনের বিরুদ্ধে
পথসভায় তীব্র প্রতিবাদ করা হয়।
১৮) ২৭/০৪/২৫ ইং,
কাশ্মীরের পহেল গাঁওতে জঙ্গি হানায় নিহতদের প্রতি
শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
১৯) ০৭/০৫/২৫ ইং,
গুজরাট, উড়িষ্যা, দিল্লি, উত্তর পূর্বাঞ্চলসহ ভারতের
বিভিন্ন রাজ্যে রাজ্যে বাঙালী শ্রমিক, কর্মচারী
,ব্যবসায়ী সহ বাঙালীদের বাংলাদেশী তকমা দিয়ে
নির্যাতন বিতরণের বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ করা হয়।
২০)
০৯/০৭/২৫ ইং, সাংবাদিক সম্মেলন, বিষয়:- বাঙ্গালীদের
অনুপ্রবেশকারী আখ্যা দিয়ে বাঙালীদের উপর আক্রমণ করার
বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হয়।
২১) ১৬/০৭/২৫ ইং,
সাংবাদিক
সম্মেলন, বিষয়:- বিদ্যুৎ মাশুল বৃদ্ধি সহ দৈনন্দিন
জীবন এর নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের লাগামহীন
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ করা হয়।
২২)
০৩/০৮/২৫
ইং, বাঙ্গালীদের উপর অনুপ্রবেশকারী আখ্যা দিয়ে
নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।
২৩)
০৮/০৮/২৫ ইং, সাংবাদিক সম্মেলন, বিষয়:- ত্রিপুরায়
আত্মসমর্পণকারী বৈরীদের জন্য আড়াইশো কোটি টাকার
বরাদ্দের বিষয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বৈরী তোষণ
নিয়ে প্রতিবাদ করা হয়।
২৪) ১১/০৮/২৫ ইং, ধরায়
জেলায় মনুঘাট ব্লক কমিটি তৈরি করা হয় । **বাঙালীদের
উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং জনস্বার্থ সম্পর্কিত
বিষয় নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মনু বাজারে অনুষ্ঠিত
পথসভায় তীব্র প্রতিবাদ করা হয়।
২৫) ২০/০৮/২৫ ইং,
খোয়াই জেলার কল্যাণপুর ব্লক কমিটি পুনর্ঘটন করা হয়।
*কল্যাণপুর বাজারে বাঙালীদের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে
এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
২৬) ২২/০৮/২৫ ইং, ৩০ শে
আগষ্ট
আমরা বাঙালীর মহা মিছিল উপলক্ষে ধলাই জেলায় বাঙালি
সম্পর্কিত নির্যাতনের প্রতিবাদে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
২৭) ৩০/০৮/২৫ ইং , আমরা বাঙালি ত্রিপুরা রাজ্য
কমিটির
উদ্যোগে আগরতলায় এক জনসভা ও মহা মিছিলের আয়োজন করা
হয়। বিষয়:- বাংলা ভাষা অবদমন, বাঙালীদের উপর লাগাতর
নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বাঙালীদের অস্তিত্ব ও
অধিকার রক্ষার জন্য বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
২৮)
০১/০৯/২৫ ইং, সিপিআইএম এর থেকে ত্রিপুরার প্রাক্তন
মুখ্যমন্ত্রী শ্রী মানিক সরকারের লাগাতর আমরা বাঙালী
সম্পর্কে কুৎসা ও অপপ্রচার রটানোর বিরুদ্ধে তীব্র
প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়।
২৯) ০৮/০৯/২৫ ইং,
দক্ষিণ
ত্রিপুরা বিলোনিয়ায় বাঙালী নির্যাতনের বিরুদ্ধে
পথসভা করা হয়।
৩০) ০৯/০৯/২৫ ইং, ঊনকোটি জেলার
পেঁচারথল ব্লক কমিটি ঘটন করা হয় এবং বাঙালী বঞ্চনা
নিয়ে এক পথসভা করা হয়।
৩১) ১০/০৯/২৫ ইং, দিল্লীর
যন্তর মন্তরে তিপ্রা মথার মুখ্য শ্রী প্রদ্যুৎ
দেববর্মা ত্রিপুরার বাঙালীদের ভাড়াটিয়া বলে
কুমন্তব্য করার প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ প্রদর্শন করা
হয়।
৩২) ১৩/০৯/২৫ ইং, ধলাই জেলায় কুলাই বাজারে
আমরা
বাঙালী দলে মোট ৫০ টি পরিবারের যোগদান সম্পন্ন হয়।
৩৩) ১৪/০৯/২৫ ইং, সিপাহীজলা জেলা কমিটি পুনর্ঘটন
করা
হয়। **চড়িলাম বাজারে বাঙালি নির্যাতনের প্রতিবাদে এক
বিক্ষোভ পথসভা আয়োজন করা হয়।
৩৪) ১৮/০৯/২৫,
রাজ্যে
তিপ্রা মথা,বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএমের লাগতর রাজনৈতিক
সংঘর্ষের জন্য ত্রিপুরার রাজ্যের জনগণের হয়রানি এবং
লাগাতর বাঙালী নির্যাতনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন
করা হয় এবং সবাইকে সুস্থ রাজনীতি করার আহ্বান জানানো
হয়।
৩৫) ২২/০৯/২৫ ইং, ত্রিপুরা রাজ্যের নারীদের
উপর
বর্বরোচিত আক্রমণ ও শ্লীলতাহানির বিরুদ্ধে তীব্র
নিন্দা জানিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।
৩৬)
১১/০/১০/২৫ ইং, ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরে
অবিলম্বে শূন্য পদ পূরণ করার জন্য আমরা বাঙালী দলের
পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়।
৩৭) ১৪/১০/২৫
ইং,
ত্রিপুরা রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ডঃ শ্রী মানিক
সাহার উক্তি রিয়াংরা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম থেকে এসেছে
এই নিয়ে লাগাতো এই বক্তব্যের জেরে বাঙালী বিদ্বেষীদের
বাঙালীদের উদ্দেশ্যে উস্কানিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদে
সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়।
৩৮) ২২/১০/২৫ ইং,
পুনরায়
বিদ্যুৎ মাশুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে ও জনস্বার্থ
সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে কর্মসূচী পালন করা হয়।
৩৯)
২৫/১০/২৫ ইং, ত্রিপুরা রাজ্যে বরাবর উপজাতি তোষণের
রাজনীতি করে যাচ্ছে কংগ্রেস, বিজেপি, সি পিএম, এবং
বাঙালীদের লাগাতর বঞ্চনা করা হচ্ছে, নির্যাতন করা
হচ্ছে, এই জায়গায় দাঁড়িয়ে উপজাতি তোষণ নীতির
রাজনীতি বন্ধ করার জন্য তীব্রভাবে আন্দোলন করছে আমরা
বাঙালী।
৪০) ২৬/১০/২৫ ইং , সিভিল সোসাইটির নামে
ত্রিপুরায় তিপ্রা মথার বিধায়ক শ্রী রঞ্জিত দেববর্মার
নেতৃত্বে ত্রিপুরা রাজ্যজুড়ে বনধ্ কে কেন্দ্র করে
ধলাই জেলার কমলপুর মহকুমার শান্তির বাজারে বাঙালীদের
উপর টার্গেট করে চরমভাবে প্রাণনাশের আক্রমণ করার তীব্র
প্রতিবাদ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।
৪১)
২৭/১০/২৫
ইং, ত্রিপুরা রাজ্যে নেশার রমরমা বাজার, আমদানির
বিরুদ্ধে এবং জনস্বার্থ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে
কর্মসূচী পালন করা হয়।
৪২) ০৫/১১/২৫ ইং, অসমের
মুখ্যমন্ত্রী কটুক্তি করেছেন- আমার সোনার বাংলা গান
অসমে, ভারতে গাওয়া যাবে না এই নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ
করা হয় আমরা বাঙালীর পক্ষ থেকে।
৪৩) ০৯/১১/২৫ ইং,
এস.আই.আর চালুর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাঙালীদের
বাংলাদেশী ও প্রকৃত ভারতীয়দের অবৈধ বানানোর
চক্রান্তের বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।
৪৪) ১১/১১/২৫ ইং, ধলাই জেলায় বাঙালীদের উপর
নির্যাতন
এবং ত্রিপুরার রাজ্যের বিভিন্ন বাজারসংলগ্ন এলাকায়
টিএসার বাহিনীর মুতায়ন সহ মোট ৭ দফা দাবীর ভিত্তিতে
ডেপুটেশন কর্মসূচী পালন করা হয়।
৪৫) ১৩/১১/২৫ ইং,
আগরতলায় বাঙালী পরিবারের উপর বাঙালী বিদ্বেষীদের
আক্রমণের প্রতিবাদে আগরতলার পূর্ব থানায় ডেপুটেশন
দেওয়া হয়।
৪৬) ১৬/১১/২৫ ইং, মধ্যপ্রদেশের
শিক্ষামন্ত্রী তোমার সংস্কারক রাজা রামমোহন রায় কে
ব্রিটিশদের দালাল বলে খুব মন্তব্য করায় তীব্র
প্রতিবাদ করা হয়।
৪৭) ২৫/১১/২৫ ইং, লাগাতর বাঙালী
নির্যাতনের প্রতিবাদে, বাংলা ভাষা মর্যাদা রক্ষার জন্য
এবং ত্রিপুরা রাজ্যের সার্বিক কল্যাণের উদ্দেশ্যে
উত্তর ত্রিপুরা ধর্মনগরে চার ঘন্টার গন অবস্থান করা
হয় এবং জেলা শাসকের নিকট ৭ দফা দাবির ভিত্তিতে
ডেপুটেশন দেওয়া হয়।
৪৮) ১১/১২/২৫ ইং ওড়িষ্যার
মালকানগিরিতে বাঙালীদের উপর আক্রমণ করার প্রতিবাদে
আমরা বাঙালী দলের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।
৪৯) ২০/১২/২৫ ইং বাংলাদেশে কট্টর মৌলবাদীজের
দ্বারা নিরপরাধ সংখ্যা লঘুদের উপর আক্রমণ এবং দীপু
দাসকে নৃশংস ভাবে খুন করার বর্বরোচিত ঘটনার প্রতিবাদে
আগরতলায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।
৫০) ২৫/১২/২৫ ইং অসম রাজ্যে নিরপরাধ বাঙালী
হিন্দুর উপর বর্বরোচিত নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটনার
প্রতিবাদ জানানো হয়।